ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার বিরুদ্ধে ফেসবুকে ‘বেফাঁস মন্তব্য’—সেই সাজ্জাত গ্রেপ্তার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেফাঁস মন্তব্য করায় গ্রেপ্তার হয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক উপকমিটির সদস্য মু. সাজ্জাত। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ও তাঁর ছোট ভাই কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার বিরুদ্ধে তিনি বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন।

রোববার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৩টায় রূপনগর বোনের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

রূপনগর থানার এসআই সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, সাজ্জাত নামে একজনকে আটকের বিষয়ে শুনেছি। কী কারণে তাকে আটক করেছে জানি না। তারা এখনো আমাদের কিছু জানায়নি।

এবিষয়ে সাজ্জাতের ছোট বোন শামীমা আক্তার আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, রাত সাড়ে ৩টায় আমার বাসায় ডিবি আসে। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগের কথা বলে তারা আমার ভাইকে আটক করে নিয়ে যায়। ডিবি অফিসে যোগাযোগ করলে তারা আমাদের কিছু জানাচ্ছে না। আমার ভাইয়ের ফোন খোলা আছে। তবে কল করা হলেও রিসিভ হচ্ছে না। আমার ভাই এখন কাদের কাছে আছে, কোথায় আছে, কিছু জানি না।

প্রসঙ্গত, আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় সাজ্জাত হোসেনসহ দু’জনের নামে মামলা করেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র মো. জোবায়ের।

এদিকে একইদিন নগরের কোতোয়ালী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাজ্জাত হোসেনের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করেন চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক শেখ মোহাম্মদ ফারুক চৌধুরী।

মামলা দায়েরের বিষয়ে সাতকানিয়ার পৌর মেয়র জোবায়ের বলেন, পোস্টে অসম্মানজনক কথা এবং কমেন্ট থাকায় সংক্ষুব্ধ হয়ে আমি দু’জনের নামে মামলা করেছি। বিপ্লব বড়ুয়া দাদার প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও আস্থা আছে। তাঁর বিষয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে সেটা আক্রোশমূলক। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে যেকোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকতে পারে, তবে এটা তো আমাদের ইনহাউজ আলোচনার বিষয়।

এএইচ

2 মন্তব্য
  1. তাজুল ইসলাম বলেছেন

    বাদী তার কথাগুলো এমন ভাবে বললেন যেন দাদারা আর মামুনুল হকরা আত্মিয়!!! এরা খারাপ কাজ করতেই পারেনা!!!
    তাছাড়া কি অভিযোগ করছে দাদাদের কি হানী (মধু নয়) করেছে কিছুই এখানে বলা হয়নি।

  2. আরাফাত বলেছেন

    আসামি সাজ্জাত জন্মগতভাবে বেয়াদব, সে গত উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে নিজে নির্বাচন করে,
    ফেসবুক স্ট্যাটাসে সে একজন ডাক্তার কে ভূয়া ডাক্তার বলে মন্ত্যব্য করে অথচ ডাক্তার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ভিপি ছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm