দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো জাল স্ট্যাম্প। এমনকি এসব জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার হতো সরকারি দপ্তরেও! প্রশাসনের চোখে ধুলো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল জাল স্ট্যাম্পের এই রমরমা বাণিজ্য।
তবে এবার সেই বাণিজ্যে হানা দিয়েছে সিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ। গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ১০ হাজার জাল স্ট্যাম্প। ধরা পড়েছে চক্রের দুই সদস্যও।
অনুসন্ধান বলছে, মূলত নগরের আগ্রাবাদ এলাকা থেকে প্রতারক চক্রের সদস্যরা এসব জাল স্ট্যাম্প পৌঁছে দিত বিভিন্ন স্পটে। এভাবেই নির্বিঘ্নে চলছিল প্রতারক চক্রের প্রতারণা বাণিজ্য। আর এসব জাল স্ট্যাম্পের ওপর ভর করেই আদালতে মামলা থেকে সাক্ষী, সাক্ষী থেকে হতো রায় পর্যন্ত।
সরকারি অফিস-আদালতে ২০ টাকার রেভিনিউ স্ট্যাম্পের প্রচলন আছে আইনের রীতিতে। তবে অহরহ জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার হলেও কয়েক বছরেরও চক্রের সদস্যরা ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে। কোথাও শনাক্ত করা হয়নি, ব্যবহৃত স্ট্যাম্প আসল নাকি জাল।
শেষমেষ চট্টগ্রামে গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধরা পড়ল জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প চক্রের দুই সদস্য। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় লক্ষাধিক টাকার ১০ হাজার জাল স্ট্যাম্প।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ এলাকায় অভিযান চালায় সিএমপির ডিবি উত্তর-দক্ষিণ টিম। ডিবি পুলিশের জালে ধরা পড়ে আলমগীর হোসেন ও নুরুল ইসলাম নামে জালিয়াত চক্রের দুই সদস্য।
সিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র বলছে, আটক দুই প্রতারক থেকে ২০ টাকা মূল্যের ১০ হাজার পিস জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়। এছাড়া দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) হাবিবুর রহমান আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরসহ জেলায় জাল স্টাম্পের বড় প্রতারণা বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল।
আলোকিত চট্টগ্রাম


