চট্টগ্রাম বন্দরে মদের পর পাওয়া গেল ৫৩ হাজার প্যাকেট নিষিদ্ধ সিগারেট

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সর্বশেষ আটক মদের দুটি কনটেইনারের শতভাগ কায়িক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ইনভেন্ট্রি শেষে মদের সঙ্গে আমদানি নিষিদ্ধ ৫৩ হাজার প্যাকেট বিদেশি সিগারেটও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন এআইআর শাখার ডেপুটি কমিশনার মো. সাইফুল হক।

সোমবার (২৫ জুলাই) রাতে বন্দরের ভেতর থেকে আটক চালান দুটির শতভাগ ইনভেন্ট্রি শেষে এ তথ্য জানা যায়। চালান দুটিতে ২০ কোটি ৪৮ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২ জুলাই ভিআইপি ইন্ডাস্ট্রিজের নামে টেক্সটার্ড ইয়ান ঘোষণায় এবং গত ১২ জুলাই ডং জিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিডি কোম্পানি লিমিটেডের নামে মেটারিয়ালস পলিপ্রপিলিন রেসিন ঘোষণায় চীন থেকে আসা চালান দুটি। আটকের পর শতভাগ কায়িক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। কায়িক পরীক্ষা শেষে চালান দুটিতে ২ হাজার ৮৫৮টি কার্টনে ৩১ হাজার ৪৯২ দশমিক ৫ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া গেছে। এ সময় একটি কনটেইনারে মদের সঙ্গে ৫৩ হাজার প্যাকেটে ১০ লাখ ৬০ হাজার শলাকা আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি সিগারেট পাওয়া গেছে। এসব পণ্যের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এতে প্রায় ২০ কোটি ৬৮ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখার ডেপুটি কমিশনার মো. সাইফুল হক বলেন, অসত্য ঘোষণায় আমদানির বিষয়ে ধারণার পর গত ১৪ জুলাই ডং জিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিডি লিমিটেডের নামে ও গত ২৩ জুলাই ভিআইপি ইন্ডাস্ট্রির নামে আসা চালান দুটি কাস্টমসের এআইআর শাখা লক করে দেয় যেন বন্দর থেকে খালাস নিতে না পারে। চালান দুটি আটকের পর শতভাগ কায়িক পরীক্ষা শেষ করা হয়েছে। তবে চালান দুটি খালাসের জন্য কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল না হওয়ায় সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জেএন/এসআই
Yakub Group

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।

ksrm