চট্টগ্রাম নগরে এবি পার্টির ৮৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি

যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াত ইসলামীর সঙ্গে আভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ করে গড়ে ওঠা সংগঠন এবি পার্টির (আমার বাংলাদেশ) চট্টগ্রাম নগর কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৮৫ সদস্যের এ কমিটির আহ্বায়ক মনোনীত হয়েছেন অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক। এছাড়া ছিদ্দিকুর রহমানকে যুগ্ম আহ্বায়ক ও অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল কাশেমকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ জুন) দুপুর তিনটায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন হলে এ কমিটি ঘোষণা করেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মেজর (অব) আব্দুল ওহাব মিনার।

কমিটির অন্যান্য সদস্যের মধ্যে রয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাহমিনা বেগম, যুগ্ম সদস্য সচিব কামরুল কায়েস চৌধুরী ও শহীদুল ইসলাম বাবুল, সহকারী সদস্য সচিব সায়মা সিদ্দিকা, জাহেদুল ইসলাম ভূঁইয়া, ইঞ্জিনিয়ার জায়েদ হাসান, আব্দুর রহমান মনির, মোরশেদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মামুন জোয়ার্দার, নুরুল আনোয়ার মুন্না, অ্যাডভোকেট নওশাদ আলী। আহ্বায়ক কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন জাবেদ ইকবাল, আতাউর রহমান নূর, লিমন রেশমী বড়ুয়া, ফয়সাল, সেলিম উদ্দিন, রিয়াজ, প্রিন্সিপাল সাজিদ ইকবাল, সবুজ কর্মকার, শীমাচিং মারমা, লিটন মালাকার, জোস্না বেগম, ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, আসাদ রসুল চৌধুরী, দিদারুল ইসলাম, হামিদুর হক চৌধুরী, সাইফুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

কমিটি ঘোষণার পর আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম ফারুক। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী বলেন, এবি পার্টির গঠনতন্ত্রে একই পদে দুইবারের বেশি কাউকে নির্বাচিত অথবা মনোনীত হওয়ার সুযোগ থাকবে না। কেউ চাইলেই আজীবন এই পার্টির নেতৃত্বে থেকে যাওয়ার সুযোগ নেই। যদি কোনো সাধারণ ব্যক্তিও এবি পার্টির সবোর্চ্চ পর্যায়ে নেতৃত্বে আসতে চায় তাহলে তারও কর্মী থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মেজর (আঃ) আব্দুল ওহাব মিনার বলেন, বীর চট্টলার জনগণের ইতিহাস অনেক সমৃদ্ধ, তাই এখানে এবি পার্টির অগ্রযাত্রার সুযোগও বেশী। তিনি সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে এবি পার্টির শক্ত সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে আমাদের পূর্ব পুরুষরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের জন্য লড়াই করে যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করেছিল তার কোনোকিছুই আমরা অর্জন করতে পারি নাই। তাই আমাদের কাজ হবে বাংলাদেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠিত করে মুক্তিযুদ্ধের উদেশ্যকে বাস্তবায়ন করা।

কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘এবি পার্টির দুয়ার বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য উন্মুক্ত। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আদর্শ ও এবি পার্টির আদর্শ একই। রাষ্ট্র যেমন কোনো নাগরিককে নির্দিষ্ট নেতা বা তার মতাদর্শ মানতে বাধ্য করে না, তেমনি এবি পার্টিও কোনো নির্দিষ্ট নেতা বা তার মতবাদকে দলের নীতি হিসেবে স্থির করেনি। চোর, দুর্নীতিবাজ, ধর্মের অবমাননাকারীরা এবি পার্টির সদস্য হওয়ার অযোগ্য।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নব মনোনীত চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক জননেতা গোলাম ফারুক, নব মনোনীত চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সদস্য সচিব ছিদ্দিকুর রহমান, নব মনোনীত চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল কাশেম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শ্রমিক নেতা হারুনুর রশিদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সংগঠক ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জিয়াউল হক চৌধুরী, নব মনোনীত কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব কামরুল কায়েস চৌধুরী ও শহীদুল ইসলাম বাবুল, সহকারী সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, ইঞ্জিনিয়ার জায়েদ হাসান, আব্দুর রহমান মনির, জাবেদ ইকবাল, আতাউর রহমান নূর, লিমন রেশমী বড়ুয়া, ফয়সাল, সেলিম উদ্দিন, রিয়াজ, সবুজ কর্মকার, শীমাচিং মারমা ও লিটন মালাকার, জোস্না বেগম।

আলোকিত চট্টগ্রাম

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm