‘অবৈধ’—ঝুঁকি মাথায় নিয়েই স্থাপনা বাড়ছে চট্টগ্রামের পাহাড়ে

চট্টগ্রামের পাহাড়ে ঝুঁকি মাথায় নিয়েই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বাড়ছে। কাঁচা বাড়ি, সেমিপাকা থেকে শুরু করে রীতিমতো ফাউন্ডেশন দিয়ে অবৈধভাবে ভবন পর্যন্ত নির্মাণ করছেন দখলদাররা।

জানা যায়, বর্ষায় ভারী বৃষ্টি হলেই পাহাড়ে ঝুঁকিতে বসবাসরতদের সরিয়ে নিতে প্রচারণা চালায় স্থানীয় প্রশাসন। তবে বৃষ্টি থামলে দখলদাররা আবার ফিরে যান নিজের বাড়িতে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে বিচ্ছিন্নভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হলেও তা খুব একটা ফলপ্রসূ হয় না। অনেকক্ষেত্রে দখলদাররা আবার স্থাপনা নির্মাণ করেন। তাছাড়া অনেক এলাকাই অভিযানের বাইরেই থেকে যায়।

সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর পর বিষয়টি আবার সামনে চলে এসেছে। তবে চট্টগ্রামের স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এখনও উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপের খবর মেলেনি।

রোববার (১ আগস্ট) সকালে সরেজমিন আকবরশাহ থানার ফিরোজশাহ এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে শতাধিক নিম্নআয়ের মানুষের বসতির দেখা মিলেছে।

হিলটপ পুলিশ ফাঁড়ির সামনে পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে সেমিপাকা ও কাঁচাবাড়ির পাশাপাশি দুইতলা ভবনও।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ব্যাপারে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বড় কোনো দুর্ঘটনার আগেই দখলদারদের উচ্ছেদ করতে হবে। সরিয়ে নিতে হবে ঝুঁকিতে বসবাসরতদের। একইসঙ্গে বন্ধ করতে হবে অবৈধ পাহাড় কাটা। অন্যথায় বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে চট্টগ্রামের পাহাড়ে।

জেডএইচ
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm