চট্টগ্রামের আকাশে—বাতাসে খুশির জোয়ার

চট্টগ্রামের আকাশে—বাতাসে এখন খুশির আমেজ। সবার মনজুড়ে আনন্দের বন্যা। রাত পোহালেই যে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে এলো করোনাবিহীন খুশির এই ঈদ।

মঙ্গলবার (৩ মে) ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ইতোমধ্যে নাড়ির টানে পরিবার-পরিজন নিয়ে শহর ছেড়ে গেছেন লাখো মানুষ।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকবে ঈদ জামাত, সতর্ক সিএমপি

করোনাভাইরাসের কারণে বিগত দু’টি রোজার ঈদে আনন্দের সবকিছুতেই ছিল ভাটা। ছিল না অনাবিল আনন্দের আবহ আর খুশির জোয়ার। তবে এবার করোনার সংক্রমণ কমে যাওয়ায় ঈদের আনন্দ ফিরেছে আগের সেই পূর্ণ মাত্রায়। এবার উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হবে ঈদুল ফিতর।

সোমবার (২ মে) রাতে আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ গেছে। চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে আতশবাজির ঝলকানিতে রঙিন হয়ে উঠে আকাশ। ছড়িয়ে পড়ে খুশির বার্তা।

এবার নগরের জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত। সেখানে প্রায় এক লাখ মানুষের ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) গ্রহণ করেছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এছাড়া নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন মসজিদেও ঈদ জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে সোমবার (২ মে) সকালে ঈদ জামাতের মাঠ পরিদর্শন করেন সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। এরপর বেলা সাড়ে ১২টায় ঈদ জামাতের স্থান পরিদর্শন করেন উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. জসিম উদ্দিন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ৬০০ নেতার ঘরে ‘ভালোবাসার’ ঈদ উপহার গেল আ জ ম নাছিরের

এসময় তিনি সাংবাদিকদের ববলেন, ঈদ জামাত নির্বিঘ্ন করতে ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া জামাতে জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্যকিছু বহন করা যাবে না।

এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আরবি/আলোকিত চট্টগ্রাম

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।

ksrm