কোন আম কোন মাসে

ফলের রাজা আম। পুষ্টিতেও ভরপুর। বৃহত্তর রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর ও রংপুর আমের জন্য বিখ্যাত। ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ফজলি, হিমসাগর, মোহনভোগ, গোলাপ খাস, সূর্যপুরি, মিসরি ভোগ, আশ্বিনাসহ প্রায় কয়েক শ’ জাতের আম উৎপাদন হয় এসব অঞ্চলে। এছাড়া এখন বৃহত্তর সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোতেও প্রচুর আম উৎপাদন হচ্ছে। বলা যায় এখন দেশের ৪০-৪৫ ভাগ আমই আম্রপালি জাতের।

রাজশাহীর আম

চলতি মাসের মাঝামাঝি থেকেই বাজারে এসেছে রাজশাহীর আম। ১৫ মে এসেছে গুটি আম। এরপর গোপালভোগ ও হিমসাগরসহ বেশ কয়েক জাতের আম নামানোর দিন নির্ধারণ করেছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন।

ল্যাংড়া আসবে জুনের প্রথম সপ্তাহে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৮ মে ধাপে ধাপে নামানো হবে গোপালভোগ, লক্ষণভোগ, রানিপছন্দ ও হিমসাগর।

গোপালভোগ আম নামবে ২০ মে থেকে। এর পাঁচদিন পর ২৫ মে থেকে নামবে লক্ষণভোগ, লখনা ও রানীপছন্দ। হিমসাগর, ক্ষীরসাপাত আম ২৮ মে থেকে গাছ থেকে পাড়া শুরু হবে। ৬ জুন থেকে নামবে ল্যাংড়া।

আগামী মাসের ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি নামবে। আর মৌসুমের শেষে আশ্বিনা ও বারি আম-৪ নামবে পরবর্তী মাসের ১০ জুলাই থেকে। এ ছাড়া রঙিন আম খ্যাত বারি আম-১৪ নামবে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তায়।

চাপাইনবাবগঞ্জের আম

আমের রাজধানী চাপাইনবাবগঞ্জের আম জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে বাজারে আসতে শুরু করবে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে এবার প্রথমে নামবে গুটি আম। সেটি আরও ১৫ দিন পর বাজারে আসবে।

Thai Food

নাটোরের আম

নাটোর জেলায় গত ১০ মে গাছ থেকে নিরাপদ আম ও লিচু সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

নাটোর জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী  ১০ মে থেকে গুটি আম এবং মোজাফ্ফর জাতের লিচু সংগ্রহ করা যাবে। গোপালভোগ ২০ মে, ল্যাংড়া ৫ জুন, ক্ষিরসাপাত ২৮ মে, লক্ষণভোগ ২৫ মে, ফজলি ২০ জুন, আম্রপালি ২০ জুন, মল্লিকা ৩০ জুন, আশ্বিনা ১৫ জুলাই, রানীপছন্দ ২৫ মে, মোহনভোগ ১৫ জুন, বারিআম-৪ ১০ জুলাই, হাড়িভাঙ্গা ২০ জুন এবং গৌরমতি আম ১৫ আগস্ট থেকে পাড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

নওগাঁর আম

নওগাঁ জেলা প্রশাসনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ১০ মে থেকে গুটি আম এবং মোজাফ্ফর জাতের লিচু সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া গোপালভোগ ২০ মে, ল্যাংড়া ৫ জুন, ক্ষিরসাপাত ২৮ মে, লক্ষণভোগ ২৫ মে, ফজলি ২০ জুন, আম্রপালি ২০ জুন, মল্লিকা ৩০ জুন, আশ্বিনা ১৫ জুলাই, রানীপছন্দ ২৫ মে, মোহনভোগ ১৫ জুন, বারিআম-৪ ১০ জুলাই, হাড়িভাঙ্গা ২০ জুন এবং গৌরমতি আম ১৫ আগস্ট থেকে পাড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরার আম

ইতোমধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করেছে সাতক্ষীরার আম। তবে প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়ের কারণে প্রথমে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ জাতের আম পাড়ার অনুমতি পেয়েছেন চাষিরা।  পর্যায়ক্রমে পাড়া হবে হিমসাগর, আম্রপালি ও ল্যাংড়া।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানান, ২১ মে হিমসাগর, ৪ জুন আম্রপালি পাড়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আলোকিত চট্টগ্রাম

 

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm