কঠোর বিধিনিষেধে ‘চট্টগ্রামে করোনা’: তিন দিনে ৩ চিত্র

করোনায় কাঁপছে দেশ, কাঁপছে চট্টগ্রাম। কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না করোনার বিস্তার। দিন দিন করোনা রোগী শুধু বাড়ছেই। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে ফের দেওয়া হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাত থেকে কঠোর বিধিনিষেধ চলছে চট্টগ্রামেও। করোনার বিস্তার কমাতেই ২৩ শর্তের এই কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার। থাকবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোরবানের একদিন পর থেকে কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হলেও ১৪ দিন যাওয়ার আগে এর সুফল মিলবে না। কারণ কোরবানের ঈদে অসংখ্য মানুষ বাড়িঘরে গিয়েছেন। এদের মধ্যে কারা সংক্রমিত হয়েছেন তা জানতে কয়েকদিন সময় লাগবে।

এদিকে গত তিনদিন চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তের হারে পাওয়া গেছে ভিন্ন চিত্র। শুক্রবার (২৩ জুলাই) সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১ হাজার ২৬২ নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪৫১ জনের শরীরে পাওয়া গেছে করোনা। করোনা শনাক্তের হার ছিল ৩৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

কিন্তু এর পরদিনই হঠাৎ কমে যায় করোনা শনাক্তের হার। শনিবার সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১ হাজার ৩০৪ নমুনা পরীক্ষায় করোনা পাওয়া গেছে ৩০১ জনের দেহে। শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ০১ শতাংশ।

অর্থাৎ মাত্র একদিনের ব্যবধানেই শনাক্তের হার কমে গেছে ১২.৭৩ শতাংশ!

এ অবস্থায় অনেকেই ধারণা করেছিলেন— এবার চট্টগ্রামে করোনার বিস্তার কমতে থাকবে। কিন্তু তাদের সেই ধারণা সত্য হয়নি। করোনার প্রকোপ তো কমেইনি, উল্টো বেড়েছে। একদিনের ব্যবধানে করোনা রোগী শনাক্তের হার বেড়ে গেছে ১৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ!

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ২ হাজার ৭৮ নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৮০১ জন। শনাক্তের হার ৩৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কঠোর বিধিনিষেধ সবে শুরু হয়েছে। এ কয়েকদিনের চিত্রে শনাক্তের হারের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে না। তবে সাধারণ মানুষ যদি ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ পুরোপুরি পালন করেন তবে করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

আলোকিত চট্টগ্রাম

1 মন্তব্য
  1. মোহাম্মদ সাহেফ উল্লাহ বলেছেন

    লকডাউনের সময় নির্ধারণ করা হোক,ও সকল খাবারের দোকানে বসে খাওয়ার অনুমতি বন্ধ করে দেয়া হোক,লকডাউনের সময় নির্ধারণ করা হোক সেই সময় গুলো প্রত্যেকের মোবাইলে সতর্ক সঙ্কেত দেওয়া হোক আর এই সময় গুলোর মধ্যে কোন ধরনের যানবাহন বা কোন লোক জন বাহিরে থাকতে পারবে না শুধু মাত্র প্রশাসনের লোক থাকবে এ সময় যে লোক বাহিরে থাকবে তাকে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হোক আর প্রত্যক এলাকার প্রতিনিধি দের যার যার এলাকায় জীবাণুমুক্ত করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হোক তাহলে এই লকডাউনের ভালো রেজাল্ট পাওয়া যাবে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm