আনোয়ারায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতিসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় নিন্দা

আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক এমএ মান্নানসহ ১৫-২০ জন নেতাকর্মীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

সোমবার (১০জুন) উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

আরও পড়ুন : আনোয়ারায় আওয়ামী লীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষ—৫ জনের জামিন

বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন স্থানীয় সাংসদ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের নেতৃত্বে আনোয়ারা-কর্ণফুলী শান্তিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আনোয়ারা-কর্ণফুলী উপজেলাকে অস্থিতিশীল করার জন্য আওয়ামী লীগের লেবাসধারী সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত চোর ডাকাতদের একত্রিত করে দুই উপজেলায় সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া চলছে। গত ৭ জুন প্রথম বাজেট ঘোষণার পর আনন্দ মিছিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। মিছিল শুরু করার আগমুহূর্তে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়েছে। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক এমএ মান্নান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এমএ হান্নান চৌধুরী মঞ্জু, বরুমছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শাহদাত হোসেন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা অজিত কুমার দাশ, শ্রমিক লীগ সহসভাপতি মামুননুর রশিদ, চাতরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তাজু উদ্দিন, যুবলীগ নেতা সাইফুদ্দিনসহ ১৩ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। আমরা পরিকল্পিত এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে শান্তিপূর্ণ আনোয়ারা-কর্ণফুলীকে যারা অস্থিতিশীল করে তুলছে তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হতে পারে না। অধ্যাপক এমএ মান্নান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ দলের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর মতো একজন রাজনীতিবিদদের ওপর হামলা কখনও কাম্য নয়। এ হামলা শুধু এমএ মান্নানের ওপর নয়, এই হামলা আওয়ামী পরিবারের ওপর। সরকারদলীয় নেতার ওপর হামলায় জনগণ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় আওয়ামী লেবাসধারী বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদের দ্রুতসময়ে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

কাঞ্চন/আরবি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!