অস্ত্র উঁচিয়ে মার খেল ইউপি মেম্বার, রক্তাক্ত ৩ জনকে পুলিশে দিল জনতা

চকরিয়ায় পাওনা টাকার বিরোধের জের ধরে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে হুমকির ঘটনায় এক ইউপি সদস্যসহ ৩ জনকে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয় জনতা। এরপর তাদের পুলিশে দেওয়া হয়।

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছায়রাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি দেশি শর্টগান উদ্ধার করা হয়।

আটক তিনজন হলেন- উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে ইমরান (৩৫), একই ইউনিয়নের বুড়িপুকুর গ্রামের মোজাহের আহমদের ছেলে আবদুস সবুর (২৭) ও মানিকপুর-সুরাজপুর-ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহেদুল ইসলাম (৪০)।

আরও পড়ুন: যুবলীগ ‘নেতার কাণ্ড’—চট্টগ্রামে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করেই গ্রেপ্তার ঢাকায়

স্থানীয়রা জানায়, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছায়রাখালী গ্রামের তালেব আলী পাওনা টাকা চাইলে আমির হোসেন ও সোনা মিয়া তাঁকে মারধর করেন। ঘটনাটি তালেব আলীর মেয়ের জামাই সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহেদুল ইসলামকে জানানো হয়। তিনি অস্ত্র নিয়ে দুই সহযোগীসহ ছায়রাখালী এলাকায় যান। কিন্তু স্থানীয় জনতা তাদের ধরে ফেলে গণপিটুনি দেয়।

Thai Food

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনজনকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছে থাকা একটি দেশি শর্টগান  উদ্ধার করা হয়।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাকের মো. যুবায়ের বলেন, টাকা লেনদেনের বিষয় নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনার এক পর্যায়ে তালেব আলীর পক্ষের লোকজন শক্তি প্রদর্শন করতে বন্দুক ব্যবহার করেন।

আরও পড়ুন: ‘অস্ত্র উঁচিয়ে’ ১০ বছর বহদ্দারহাট কাঁপাচ্ছেন ‘ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী’ জাবেদ

তিনি আরও বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি শর্টগান উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে।

মুকুল/আরবি

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm