অপেক্ষার অবসান, বৃষ্টি এলো নগরে

টানা কয়েকদিনের তীব্র তাবদাহের পর অবশেষে চট্টগ্রামে নামল স্বস্তির এক পশলা বৃষ্টি। এতে জনজীবনের নেমেছে প্রশান্তি।

রেকর্ড সর্বোচ্চ তাপমাত্রার অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হলেও অপেক্ষা ছিল নগরবাসীর। সেই অপেক্ষা ফুরাল। দেখা মিলল কাঙ্ক্ষিত সেই বৃষ্টির।

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল বজ্রপাত। প্রায় ঘণ্টাব্যাপীর এই বৃষ্টিতে নগরের জিইসি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়তে হয় পথচারীদের।

এদিকে তীব্র গরমে স্বস্তির বৃষ্টিতে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা জানান।

রবিন সরকার নামে একজন লিখেন, অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পর চট্টগ্রাম শহরে স্বস্তির বৃষ্টি।

আনিসুজ্জামাল দুলাল নামে আরেকজন লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ……টানা কয়েকদিনের গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি।

আরও পড়ুন : চট্টগ্রামে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

এদিকে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে বাসায় ফিরতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেকে।

চেরাগী মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারী মো. ইউসুফ বলেন, ছাতা-রেইনকোর্ট কোনোকিছুই সঙ্গে নেই। বৃষ্টি হচ্ছে, ভালো লাগছে। তবে ভিজে ভিজে বাসায় ফিরতে হবে।

অন্যদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ (বৃহস্পতিবার) দমকা বাতাস থাকলেও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই চট্টগ্রামে। তবে বিভাগের কুমিল্লা, নোয়াখালীর দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। বাতাসের গতিবেগ বেশি হওয়ায় আকাশে মেঘের উপস্থিতি কম। এজন্যই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। তবে আগামীকাল (১৬ মে) চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা এমডি জহিরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামে গতবছরের তুলনায় এবার বৃষ্টির পরিমাণ খুবই কম। আজ দুপুর ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার। গত কয়েকদিন এর চেয়ে বাতাসের গতিবেগ কম থাকায় গরম বেশি অনুভূত হয়েছিল।

তিনি বলেন, বৃষ্টি না হলেও বাতাসের পরিমাণ বেশি থাকায় গরম কম অনুভূত হবে। তবে আগামীকাল চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

আরবি/আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm